নষ্টামী আর ব্যাভিচারের শেষ সীমানায় পৌছে গেছে শান্তি আর সবুজের প্রিয় সোনার বাংলাদেশ। প্রভা-রাজিবের নষ্টামীর ঘটনা যেতে না যেতেই ঘটলো আরেকটা ভয়ংকর ঘটনা। আজ একটু আগে ঢাকা মেডিকেল এলাকায় কে বা কারা একটা নবজাতক পেলে চলে যায়। কিচুক্ষন পড়ে একটা কুকুর এসে সে নবজাতককে মুখে কামড় দিয়ে ধরে দৌড় দিলে উপস্থিত লোকজন তা দেখতে পেয়ে কুকুরটিকে দাওয়া করে নবজাতককে উদ্ধার করে। কিন্তু ততক্ষনে যা হবার তা হয়ে গিয়েছে। মানে সৃস্টির সেরা জীব মানুষ ফুটপাথে কুকুরের মুখেই মৃত্যুবরণ করে দুনিয়া থেকে চলে গেল।
হায়রে হায় বাংলাদেশ!!হায়রে হায় বাংলাদেশ!!হায়রে হায় বাংলাদেশ!!
আসেন গুরুর মুখে শুনি-
১৯৭৪ সালের দিকে দেশে দুর্ভিক্ষ শুরু হলো। ভালো মানুষ খাবারের আশায় শহরে এসে ফকির হয়ে গেল। তখন কমলাপুর থেকে নটর ডেম কলেজের ফুটপাত মানুষে ভরপুর। মানুষ মারা যাচ্ছে। ছোট বাচ্চারা মারা যাচ্ছে। কবর দেওয়ার মানুষ নেই। কে দাফন করবে। মা তাঁর দুধের সন্তানকে রেখে পালিয়ে যাচ্ছেন। ক্ষুধার জ্বালায় বাচ্চাকে বিক্রিও করে দিচ্ছেন। তখন নতুন নতুন গান করতাম। আমি নিয়মিত পাঞ্জাবি পরতাম। বড় বড় চুল ছিল। ফুটপাতের বাচ্চাগুলো আমাকে দেখলে মামা মামা বলে ডাকত। একদিন দেখি একটি বাচ্চা কাঁদছে। জিজ্ঞেস করলাম, ‘কী হইছে?’ একজন বলল, ‘মা বাচ্চাটারে রাইখা পলাইছে।’ সব শুনে বুকটা ফেটে গেল। মনে মনে তখনই গানের লাইন খুঁজে পেলাম, ‘রেল লাইনের ওই বস্তিতে।’ আজম খান
রেললাইনের ঐ বস্তিতে
জন্মেছিল একটি ছেলে
মা তাঁর কাঁদে
ছেলেটি মরে গেছে
হায়রে হায় বাংলাদেশ
বাংলাদেশ বাংলাদেশ বাংলাদেশ
কত আশা ছিল তাঁর জীবনে
সব আশা মুছে গেল মরণে
মা তাঁর পাশে চেয়ে বসে আসে
কত মার অশ্রু আজ নয়নে
কে তা মুছাবে বা কেমনে
যে চলে যায় সে কি ফিরে আসে……।









