Category Archive: Harsh Reality
Categories:
by Admin
December 13, 2010
বর্তমান সমাজ ব্যবস্থায় আমরা অহরহ শুনতে পায় নারীর অধিকার। বিষয়টি এখন এমনই খারাপ রূপ নিয়েছে যেন যত নষ্টের মূলে এই পুরুষ জাতি। নারী অধিকারের নামে কত কিছুই না করা হচ্ছে। মিছিল মিটিং ইত্যাদি ইত্যাদি। আর সরকারী এবং সরকার নিয়ন্ত্রাধীন চাকুরীরর ক্ষেত্রে তো কোটাই করা আছে এমন কি শিক্ষাগত যোগ্যতা শিথিল করে হলেও। কিন্তু আমাদের এই প্রগতিশীল সমাজ ব্যবস্থাপক রা একবার ভেবে দেখেছেন কি পশ্চিমা কালচার ধরে এগিয়ে গিয়ে আমরা কোথায় অবস্থান করছি? দিন দিন আমাদের অবস্থা কোথায় যাচ্ছে। একদিকে মেয়েরা কর্মসংস্থানে ঢুকে তারা স্ববলম্বী হচ্চে ঠিকিই কিন্তু অন্যদিকে ছেলেরা হচ্ছে বেকার; আর এই বেকার সমস্যার কারনে প্রতিনিয়ত বাড়ছে অপরাধ। উদাহরণ আসবে নারী নির্যাতন রোধের জন্য নারীদের স্বাবলম্বী হতে হবে। আমরা প্রতিনিয়তই নারী নির্যাতন নিয়ে কথা বলি? কখনও দেখেছেন এক হাতে তালি বাজে? যারা বিবাহিত আছেন তারা ঘরে ফিরলেই বুঝতে পারবেন কি নির্যাতন হয়। অনেকেই বলবেন যে আমি হয়তো বউ শাসিত; কিন্তু সবাই একটু বুকে হাত দিয়ে ভেবে দেখবেনকি আপনিও বউ শাসিত কিনা। উদাহরণ বাজার থেকে যেটাই কিনে নিয়ে যাবেন ৯৯% মেয়েরা সেটার সমালোচনা করবে। যতই ক্লান্ত হয়ে বাসায় ফেরেন না কেন তার কথার উত্তর আগে দিতে হবে; যতই ক্ষধুর্ত থাকেন না কেন টিভি সিরিয়াল বাদ দিয়ে আপনাকে খাবার দেয়া হবে না খেতে চাইলে আপনাকে নিয়ে খেতে হবে; বাচ্চাকে আপনারই পড়াতে হবে; বাসায় থাকলে সারাদিন আপনাকেই বাচ্চার পেছেনে সময় দিতে হবে। এরকম সব কিছুতেই দেখবেন নির্যাতনের ছাপ। আর ব্যতিক্রম যে কিছু নেই তা অবশ্যই বলব না।
যা হোক মূল কথায় আসি- এই স্বাবলম্বী হতে গিয়ে উনারা যে দিন দিন পণ্যে রুপান্তর হচ্ছে সেদিকে কি কেউ খেয়াল করেছেন?
বর্তমান সময়ে যদি ৫লাখ নারী কর্মী/কর্মকর্তা থেকে থাকে ঐ জায়গাগুলোতে ৫লাখ পুরুষ কাজ করতে পারত আর দেশে ৫লাখ বেকার সমস্যা কমে যেত। স্বভাবতই বেকার ছেলেরা বিয়ে করেন না স্বাবলম্বী না হওয়া পর্যন্ত। অন্যদিকে কোন স্ববলম্বী মেয়ে কখনই বেকার ছেলেকে বিয়ে করে না। তার মানে দেশে ৫লাখ মেয়েকে অবিবাহিত থাকতে হচ্ছে; আর এই অবিবাহিত জীবনে একটু স্বাদ গ্রহন অথবা পিতামাতার বোঝা কমানোর জন্য ছুটঠে অনেক মেয়েই কর্মসংস্থানের খোজে। কর্মসংস্থানের অভাবে অনেকই বিভিন্ন খারাপ খাজে লিপ্ত হচ্ছে। আর এই সব অবিবাহিত মেয়েদের বাবা’রা কর্মজীবি ছেলেদের সাথে বিয়ে দেবার জন্য নেমে যাচ্ছে ছেলে কেনার প্রতিযোগিতায়। বিয়ের সময় দিচ্ছে জামাইকে উপহার স্বরূপ কয়েক লক্ষ টাকার সামগ্রী। আর এই সবের পার্শ্ব পতিক্রিয়ায় পরতে হচ্ছে গরীব বাবা মায়ের। আবার উনারাই কথা বলছেন যৌতুক বিরোধী।
বিয়ে একটি প্রাকৃতিক ব্যপার; সবাই বিয়ে করবে লাখে ১টা ব্যতিক্রম ছাড়া। একটা সময় ছিল যখন মেয়েদের পন (যৌতুক) দিয়ে বিয়ে করতে হত। কিন্তু বর্তমানে নারীদের স্ববলম্বী করতে গিয়ে অবিবাহিত মেয়ের সংখ্যা যেমন বারছে তেমনি বারছে যৌতুক প্রথা সহ বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ সহ।
অনেকেই চোখ বন্ধ করে উন্নত বিশ্বের উদাহরণ দিবেন; কিন্তু ভেবেদেখেছেন কি? ইউরোপ আমেরিকা তে কত অবৈধ সন্তান জন্ম নিচ্ছে__ কত বিবাহ বিচ্ছেদ হচ্ছে এই মেয়েদের স্বাবলম্বী করতে গিয়ে??
আমি প্রায়ই বিভিন্ন ব্লগে বর্তমান সামাজিক পরিস্তিতি নিয়ে লিখা আর্টিকেলগুলো পড়ি। কিছু কিছু লিখা এতোটা বাস্তবসম্মত হয় যে তা আমি সংরক্ষণ করতে আগ্রহী হই। আসলে এই সংরক্ষণের মূল উদ্দেশ্য কিন্তু অসচেতনদের সচেতন করা। আমার এই ব্লগীয় ওয়েবসাইটে আমি আমার প্রিয় আর্টিকেলগুলো পোষ্ট করি। আজ somewhereinblog এ এই লিখাটি পড়ে অনেকটা আবেগী হয়ে এখানে পোষ্ট করলাম। নিচে উৎস দেয়া আছে। আপনারা চাইলে মূল রচনা পড়তে নিচের লিঙ্কে ক্লিক করতে পারেন। এখানেও মন্তব্য করতে পারেন। আমি Wikimega এর পক্ষ থেকে এই আর্টিকেল এর লেখককে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই।
মূল রচনা এখানেঃ Somewhereinblog.net
Share on Facebook
Permanent link to this article: http://www.wikimega.com/harsh-reality-2/%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a7%9f%e0%a7%87%e0%a6%b0%e0%a6%be-%e0%a6%95%e0%a6%bf-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%ac%e0%a6%b2%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a7%80-%e0%a6%b9%e0%a6%9a%e0%a7%8d/
Categories:
by Admin
October 2, 2010

প্রত্যেকটি মানুষকেই একদিন না একদিন মৃত্যুর স্বাদ গ্রহন করতে হবে।শেষ বয়সে সে মৃত্যু যেন আদরের সন্তানের মুখ দেখে হয়। এটাই কমনা থাকে প্রত্যেকটি বাবা-মায়ের।কিন্ত সে আশা পূরন হয়নি কুলসুম বিবির। মাত্র কয়েক দিন আগে ছেলের অত্যাচারে বৃদ্ধাশ্রমে আশ্রয় নেয়া কুলসুম বিবি প্রবীণ দিবসে আপন জনের অপেক্ষায় থেকে না ফিরার দেশে চলে গেলেন। আদরের সন্তান মায়ের লাশটিও দেখতে আসেনি। এ কেমন সন্তান?
কেটে গেল আরো একটি প্রবীণ দিবস। এইদিনও কুলসুম বিবি কাছে পাননি তার আদরের সন্তানদের। গত বৃহস্পতিবার প্রবীণ দিবসে বৃদ্ধাশ্রমে অন্যের সন্তানের মুখ দেখে মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়লেন তিনি। কি আশ্চর্য ! মৃত্যুর খবরে ঠিকই লাশ দেখতে এলো তার একমাত্র বিত্তবান পুত্রের শিশু পুত্র ও কন্যারা। তাহলে কি মায়ের মৃত্যুর অপেক্ষায় ছিল তারা? কুলসুম বিবির মতো বৃদ্ধাশ্রমে দিন কাটাচ্ছেন এমন অনেক মা-বাবা। তাদের অধিকাংশের সন্তান আজ সমাজে প্রতিষ্ঠিত। প্রবীণ দিবসে বৃদ্ধাশ্রমে আশ্রয় নেয়া কোন মা-বাবাকেই সন্তানরা দেখতে আসেনি। খোঁজ নেয়নি তাদের। জানতে চায়নি মা তোমার শরীর কেমন? বাবা তোমার শারীরিক অবস্থার খবর কি? তবে এই বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের দেখতে এসেছিলেন বিত্তবান সমাজের অনেকেই। তারা সঙ্গে নিয়ে এসেছিলেন তাদের সন্তান এবং নাতি নাতনীদের। বৃদ্ধাশ্রমের বৃদ্ধ-বৃদ্ধারা অন্যের সন্তান এবং নাতি-নাতনীদের বুকে জড়িয়ে ধরে আপনজনকে কাছে না পাওয়ার বেদনা ভুলে কেঁদে উঠেছিলেন।
প্রবীণ দিবসে গাজীপুরের মনিপুর বিশিয়া বৃদ্ধাশ্রমে বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের জন্য আয়োজন করা হয়েছিল ‘গেট টুগেদার’ এবং বিশেষ খাবারের। বৃদ্ধাশ্রমে আশ্রয় নেয়া ১০৫ বছরের কুলসুম বিবি সকালে ঘুম থেকে ওঠে আপনজনের সঙ্গে দেখা হবে এমন আশায় বসে ছিলেন। ভেবেছিলেন তার সন্তানরা দেখতে আসবে। ঘুম থেকে উঠে কুলসুম বিবি অপর বাসিন্দার নিকট এই তথ্য জানান।
কিন্তু সময় গড়িয়ে গেলেও কেউ আসেনি। কুলসুম মনের কষ্টে খেতে গেলেন বৃদ্ধাশ্রমের খাবার ঘরে। হঠাৎ বুকে ব্যথা ওঠে ঘটনাস্থলেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন। খবর দেয়া হলো নারায়ণগঞ্জের সম্ভ্রান্ত ব্যবসায়ী ছেলেকে। লাশ দেখতে আসেনি একমাত্র ছেলে। মেয়ে ও নাতী-নাতনীরা এসেছেন লাশ দেখতে। দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য এই আদরের ছেলের নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে বাড়ি ছাড়তে হয় কুলসুম বিবিকে। গত ২৭ সেপ্টেম্বর তিনি আশ্রয় নিয়েছিলেন ওই বৃদ্ধাশ্রমে।
জানা গেছে, কুলসুম বিবি এক ছেলে এবং তিন কন্যার জননী। তার বাড়ি গাজীপুরের পুবাইলে। কুলসুম বিবির স্বামী মারা যাওয়ার পর পরম মমতায় তিনি তার সন্তানদের সমাজে প্রতিষ্ঠা করতে সংগ্রাম করেছেন। ছেলে মেয়েরাও সমাজে প্রতিষ্ঠা পেয়েছেন। তবে তাদের সংসারে ঠাঁই হয়নি বৃদ্ধা মায়ের। আপনজনদের মানসিক নির্যাতনে বাধ্য হয়ে মৃত্যুর কদিন আগে বৃদ্ধাশ্রমে আসেন কুলসুম বিবি। এমন সন্তানের কাছে যেন তার মৃত্যু না হয়। এই প্রার্থনাই যেন সৃষ্টিকর্তার কাছে করেছিলেন। বৃদ্ধাশ্রমের রেজিস্টারে নাম ঠিকানা লেখার সময় এক ছেলে ও তিন কন্যা থাকার পরও কুলসুম বিবি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বলেন, তার কোন সন্তান নেই। এ দুনিয়ায় তার আপনজন বলতে কেউ নেই। রেজিস্টারে এই তথ্যই লেখা ছিল।
কয়েকজন বৃদ্ধা বলেন, আমাদের তো আপনজন বলতে কেউ নেই, বৃদ্ধাশ্রমের বাসিন্দারাই তাদের আপনজন। কুলসুম বিবির মৃত্যুতে বৃদ্ধাশ্রমের এই বৃদ্ধারা কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।
Original Click This Link
or
Share on Facebook
Permanent link to this article: http://www.wikimega.com/harsh-reality-of-life/%e0%a6%8f-%e0%a6%ac%e0%a7%9c-%e0%a6%95%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%81-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%a8/
Categories:
by Admin
September 30, 2010

“মায়ের একধার দুধের দাম, কাটিলে গায়ের চাম-
পাপশ বানাইলে ঋনের শোধ হবে না আমার মা মাগো।”
সেই মায়েরই আর স্থান নেই সন্তানের কাছে। এ কেমন সন্তান?
আল্লাহর পরবর্তী স্থান হলো পিতামাতার এবং মায়ের স্থান আরও নিকটে। এটা পবিত্র কোরআন এবং অন্যান্য ধর্মগ্রন্থে উল্লেখ রয়েছে। এই মাকে সন্তানসহ পরিবারের আপনজনরা শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে বিতাড়িত করে। তাদের সৃষ্টিকর্তা কখনও ক্ষমা করবে না। মায়ের ওপর নির্যাতন হলে আল্লাহর আরশ পর্যন্ত কেঁপে উঠে।
গাজীপুর মনিপুর বিশিয়া বয়স্ক পুনর্বাসন কেন্দ্রের বাসিন্দা গৌরী সেনগুপ্তা (৭৫) অঝোরে চোখের পানি ছেড়ে একমাত্র পুত্র সন্তানের বাড়ি থেকে নিজের বিতাড়িত হওয়ার বর্ণনা দেয়ার সময়ও যেন আল্লাহর আরশ কেঁপে কেঁপে উঠছিল! ইত্তেফাকের এই প্রতিনিধি ও গাজীপুর সংবাদদাতা মজিবুর রহমানকে সুশিক্ষিত গৌরী সেনগুপ্তা তার জীবনে ঘটে যাওয়া করুণ কাহিনী শোনান। ওই বৃদ্ধাশ্রমে তার মত আরও ৯৮ জন রয়েছেন। তার মত আপনজন থেকেও সকলেই বঞ্চিত হয়ে বৃদ্ধাশ্রমে ঠাঁই নিয়েছেন। ছেলেবেলায় সন্তানদের একমাত্র আশ্রয়স্থল পিতামাতা অথচ বৃদ্ধ বয়সে পিতামাতার আশ্রয়স্থল সন্তানরা কেন হয় না? এই প্রশ্নের জবাব খুঁজতে গিয়ে গৌরী সেনগুপ্তাসহ অন্য বৃদ্ধারা কেঁদে ফেলেন। জীবনের শেষ সময়ে এসে শুধু চোখের পানি ছাড়া তাদের আর কিছুই নেই। এটাই নিয়তি বলে গৌরী সেনগুপ্তা কাঁদতে কাঁদতে চেয়ারে হেলে পড়েন।
গৌরী সেনগুপ্তা চট্টগ্রাম শহরে দীর্ঘ জীবন কাটিয়েছেন। তিনি একটি ওষুধ কোম্পানিতে চাকরি করতেন। তার স্বামী সড়ক ও জনপথে চাকরি করতেন। বিয়ের ৪ বছর পর স্বামী তাকে ছেড়ে মির্জাপুরে এক নার্সকে বিয়ে করে নতুন সংসার শুরু করেন। ঐ সময় গৌরী সেনগুপ্তার একমাত্র শিশু পুত্রের বয়স ৩ বছর। তিনি পুত্রকে নিয়ে জীবন যুদ্ধে নামেন। চাকরির পাশাপাশি পুত্রকে লেখাপড়া করান। ছেলেকে শিক্ষিত হিসাবে সমাজে প্রতিষ্ঠা করেন। একমাত্র পুত্র ব্যবসা শুরু করে। একমাত্র পুত্র মায়ের দুর্দিনের সাথী হবে, মাকে বুকে জড়িয়ে রাখবে- মা এমনটাই কামনা করেছিলেন। কিন্তু গৌরী সেনগুপ্তার কপালে সেই সুখ আসেনি। বৃদ্ধ বয়সে তার ভাগ্যে জুটছে একমাত্র পুত্রের হাতে নিপীড়ন ও নির্যাতন। গৌরী সেনগুপ্তা শান্ত স্বভাবের মানুষ। ১৯৯৫ সালে গৌরী সেন গুপ্তা চাকরি থেকে অবসর নেন। এরপর থেকে পুত্রের স্বভাব ও চরিত্রের পরিবর্তন ঘটে। তিনি প্রতিষ্ঠান থেকে অবসর ভাতাসহ এক সঙ্গে তিন লাখ টাকা পান। এই টাকার জন্য একমাত্র পুত্র গৌরী সেনগুপ্তাকে প্রায়ই নির্যাতন করতো। মাঝে মাঝে বাসা থেকে বের করে দিতো। চাকরি থাকাকালে পুত্রের এ স্বভাব ধরা পড়েনি। বৃদ্ধা বয়সে তিনি পুত্রের বোঝা হয়ে পড়বেন মনে করে পুত্র তাকে বের করে দেয়ার জন্য এই নির্যাতন চালাতো বলে তিনি জানান। ঐ সময় চোখের জলে তার বুক ভেসে যায় এক সময়। শান্ত মা গৌরী সেন একমাত্র পুত্র ও বাড়ি ছেড়ে চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন। এক ভাই ভারতে থাকেন। ১৯৯৮ সালে তিনি ভারতে ভাইয়ের কাছে চলে যান। কিন্তু সেখানে ভাইয়ের সংসারে তার ঠাঁই হয়নি। তিনি আলাদা বাসা ভাড়া করে শেষ সময় আপন ভাইয়ের কাছাকাছি থাকার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। সেই আশাও তার পূরণ হয়নি। ভারত থেকে বুক ভরা কষ্ট নিয়ে পুনরায় দেশে ফিরে আসেন। বাংলাদেশে এসে তিনি হয়ে যান নিঃসঙ্গ। পরে এক হƒদয়বান ব্যক্তির সহায়তায় গাজীপুরে এই বৃদ্ধাশ্রমে তিনি ঠাঁই পান।
বৃদ্ধাশ্রমের প্রতিষ্ঠাতা খতীব আব্দুল জাহিদ মুকুল ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সেবা-যত্মে গৌরী সেনগুপ্তা অতীতের সকল নিপীড়ন-নির্যাতন ভুলে গেছেন। জীবনের শেষ ঠিকানা এই বৃদ্ধাশ্রম বলে তিনি জানান।
Click This Link
or
Click Here
Share on Facebook
Permanent link to this article: http://www.wikimega.com/harsh-reality-2/%e0%a6%93%e0%a6%b7%e0%a7%81%e0%a6%a7-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%ae%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%be/
Categories:
by Admin
September 29, 2010

যাদের সন্তানের কাছে বেশী কিছু চাওয়ার নেই। শেষ বয়সে আদরের সন্তানের কাছে এক সাথে, একই ছাদের নীচে সুখ-দুঃখ ভাগ করার ইচ্ছা নিয়ে প্রতিটি পিতা-মাতা প্রহর গুনে। কিন্ত অনেকেরই সেই সন্তানের কাছে আশ্রয় না হয়ে আশ্রয় হয় বৃদ্ধাশ্রমে। এ কেমন নিয়তি?
কলম সৈনিক নূরুল ইসলাম (৮২) সংবাদপত্রে চাকরি জীবনে কত অসহায় মানুষের জীবন কাহিনী লিখেছেন। তার সহযোগিতা ও লেখনির মাধ্যমে কত মানুষ ন্যায়বিচার পেয়েছেন। তিনি কোনদিন ভাবেননি বৃদ্ধ বয়সে আপনজনের বোঝা হবেন। কোনদিন ভাবতেও পারেননি জীবনের অন্তিম সময়ে এতটা ছন্নছাড়া হবেন । চাকরি জীবনে কত লোক তার কাছে আসতো, আপনজনরা কতই সম্মান করতো। বাড়িতে একটু দেরি করে ফিরলে তাকে কৈফিয়ত দিতে হতো। আরও কত আদর-যত্ম, তা তিনি বলে শেষ করতে পারছেন না। তাই জীবনটা আজ সাংবাদিক নূরুল ইসলামের কাছে মনে হচ্ছে কঠিন, বাস্তবতার ইট-সুরকির ইমারত। জীবনের শেষ বেলায় নূরুল ইসলামের শেষ ঠিকানা বৃদ্ধাশ্রমে হবে, এটা তার নিয়তির লিখন বলে অঝোরে চোখের পানি ছেড়ে কাঁদতে থাকেন। ঐ সময় তিনি ইত্তেফাকের বিশেষ প্রতিনিধি ও গাজীপুর সংবাদদাতা মজিবুর রহমানকে বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দুই লাইন কবিতা-‘যৌবনের শেষে শুভ্র শরৎকালের ন্যায় একটি গভীর প্রশান্ত প্রগাঢ় সুন্দর বয়স আসে, যখন জীবনের ফল ফলিবার এবং শস্য পাকিবার সময়,’ বলে চোখের জলে বুক ভাসিয়ে ফেলেন। এক পর্যায়ে বলে উঠেন, আপনজন থেকে পর ভাল, পরের চেয়ে বৃদ্ধাশ্রম শ্রেয়।
গাজীপুর মনিপুর বিশিয়া বয়স্ক পুনর্বাসন কেন্দ্রে ১০৪ জন বৃদ্ধের সঙ্গে সাংবাদিক নূরুল ইসলাম একজন। তার সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, সংবাদপত্র জগতে সুনামের সঙ্গে চাকরি করেছেন। তার ভাষায় সংবাদপত্রকে সমাজের দর্পণ বলে বুদ্ধিজীবী, সরকার, সুশীল সমাজসহ সকল পেশার মানুষ টাইটেল দিয়ে থাকেন। সেই দর্পণের নিষ্ঠা ও আদর্শের সৈনিকরা বৃদ্ধ হলে সমাজ দুঃস্থ বলে অবহেলা করে থাকে। ঐ সমাজের তারা অবহেলিত। অন্তিম সময়ে আপনজন দ্বারা নিপীড়ন ও নির্যাতনের শিকার হয়ে তিনি অচেনা গন্তব্যের উদ্দেশ্যে নাড়িছেঁড়া ধন ছেড়ে বের হয়ে পড়েন। পরে ঠাঁই পেলেন হৃদয়বান ব্যক্তি খতীব আব্দুল জাহিদ মুকুল কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বৃদ্ধাশ্রমে। এখানে এসে দেখেন উল্টো ব্যবস্থা। আপনজন অন্তিম সময় সেবা-যত্ম ও সম্মান না করলেও বৃদ্ধাশ্রমে সবই পাচ্ছেন নূরুল ইসলাম। আপনজনের নিপীড়ন ও নির্যাতনের কথা তিনি ভুলে গেছেন।
নূরুল ইসলাম বলেন, তার একমাত্র পুত্রের আশায় ঈদুল ফিতরের সময় বৃদ্ধাশ্রমের বারান্দায় সারাদিন পায়চারি করেছেন। কেউ তার খোঁজ নিতে আসেনি। ঈদের দিন তার কাটে চোখের জলে। ঈদের দিন চিরদিনের ঠিকানা বৃদ্ধাশ্রমের মনোরম ও ছায়াঘেরা পরিবেশে প্রতিষ্ঠিত কবরস্থানের পাশে গিয়ে কিছু সময় কাটান। এখানে চিরদিনের মত সকলকে ছেড়ে ঘুমিয়ে থাকতে হবে। কেউ তার সঙ্গে যাবে না। এই কথা ভেবে তিনি পুনরায় থাকার কক্ষে ফিরে আসেন। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন।
Source: Click This Link
Share on Facebook
Permanent link to this article: http://www.wikimega.com/harsh-reality-2/%e0%a6%95%e0%a6%b2%e0%a6%ae-%e0%a6%b8%e0%a7%88%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%a8%e0%a7%82%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%87%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%89/
Categories:
by Admin
August 25, 2010
নষ্টামী আর ব্যাভিচারের শেষ সীমানায় পৌছে গেছে শান্তি আর সবুজের প্রিয় সোনার বাংলাদেশ। প্রভা-রাজিবের নষ্টামীর ঘটনা যেতে না যেতেই ঘটলো আরেকটা ভয়ংকর ঘটনা। আজ একটু আগে ঢাকা মেডিকেল এলাকায় কে বা কারা একটা নবজাতক পেলে চলে যায়। কিচুক্ষন পড়ে একটা কুকুর এসে সে নবজাতককে মুখে কামড় দিয়ে ধরে দৌড় দিলে উপস্থিত লোকজন তা দেখতে পেয়ে কুকুরটিকে দাওয়া করে নবজাতককে উদ্ধার করে। কিন্তু ততক্ষনে যা হবার তা হয়ে গিয়েছে। মানে সৃস্টির সেরা জীব মানুষ ফুটপাথে কুকুরের মুখেই মৃত্যুবরণ করে দুনিয়া থেকে চলে গেল।
হায়রে হায় বাংলাদেশ!!হায়রে হায় বাংলাদেশ!!হায়রে হায় বাংলাদেশ!!
আসেন গুরুর মুখে শুনি-
১৯৭৪ সালের দিকে দেশে দুর্ভিক্ষ শুরু হলো। ভালো মানুষ খাবারের আশায় শহরে এসে ফকির হয়ে গেল। তখন কমলাপুর থেকে নটর ডেম কলেজের ফুটপাত মানুষে ভরপুর। মানুষ মারা যাচ্ছে। ছোট বাচ্চারা মারা যাচ্ছে। কবর দেওয়ার মানুষ নেই। কে দাফন করবে। মা তাঁর দুধের সন্তানকে রেখে পালিয়ে যাচ্ছেন। ক্ষুধার জ্বালায় বাচ্চাকে বিক্রিও করে দিচ্ছেন। তখন নতুন নতুন গান করতাম। আমি নিয়মিত পাঞ্জাবি পরতাম। বড় বড় চুল ছিল। ফুটপাতের বাচ্চাগুলো আমাকে দেখলে মামা মামা বলে ডাকত। একদিন দেখি একটি বাচ্চা কাঁদছে। জিজ্ঞেস করলাম, ‘কী হইছে?’ একজন বলল, ‘মা বাচ্চাটারে রাইখা পলাইছে।’ সব শুনে বুকটা ফেটে গেল। মনে মনে তখনই গানের লাইন খুঁজে পেলাম, ‘রেল লাইনের ওই বস্তিতে।’ আজম খান
রেললাইনের ঐ বস্তিতে
জন্মেছিল একটি ছেলে
মা তাঁর কাঁদে
ছেলেটি মরে গেছে
হায়রে হায় বাংলাদেশ
বাংলাদেশ বাংলাদেশ বাংলাদেশ
কত আশা ছিল তাঁর জীবনে
সব আশা মুছে গেল মরণে
মা তাঁর পাশে চেয়ে বসে আসে
কত মার অশ্রু আজ নয়নে
কে তা মুছাবে বা কেমনে
যে চলে যায় সে কি ফিরে আসে……।
Source: Click Here
Share on Facebook
Permanent link to this article: http://www.wikimega.com/harsh-reality-2/%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%82%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b6-%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ae/
Categories:
by Admin
August 25, 2010
Permanent link to this article: http://www.wikimega.com/bangladesh/%e0%a6%b6%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a7%81-%e0%a6%b6%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%ae-%e0%a6%85%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%9b/
Categories:
by Admin
August 25, 2010
সম্প্রতি পতিতাবৃত্তিকে পেশা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে সরকার। আর সংসদের ডেপুটি স্পিকার বলেছেন কুৎসিত চেহেরা ঢাকতেই মহিলার বোরকা পড়ে.. মেয়েরা কেনো আরো খোলামেলা চলাফেরা করেনা?? মেয়েদের উচিত তাদের সৌন্দর্যকে পর্দার আড়ালে না লুকিয়ে প্রকাশ করা। ইউটিউভ ভিডিও লিংক- http://www.youtube.com/watch?v=wjDXUy8Egkw
তা এখন প্রভাকে দোষ দিয়ে কি লাভ?? প্রভাতো দেশের স্পীকারের আহবানে সাড়া দিয়েছে মাত্র। সে একজন পেশাজীবী হিসাবে স্বীকৃত পেশার লোক হিসাবে গর্বিত হতেই পারে।
আসুন জেনে নিই বতমান পর্ণো ইণ্ডাস্ট্রির হালচাল-
# ৯৬.৭ বিলিয়ন ডলার বাৎসরিক আয় আসে পর্ণো ইণ্ডাস্ট্রি থেকে।
# যুক্তরাষ্ট্রের বাৎসরিক আয় ১৩.৩৩ বিললিয়ন ডলার।
# বাৎসরিক আয়ের দিক থেকে মিলিতভাবে Microsoft, Google, Amazon, eBay, Yahoo!, Apple, Netflix এবং EarthLink এর চেয়েও পর্ণো ইণ্ডাস্ট্রি বড়।
# যুক্তরাষ্ট্রের বাৎসরিক খাত ওয়ারি পর্ণো আয়ঃ
মুভি বিক্রি ও ভাড়া => $৩.৬২
ইন্টারনেট => $২.৮৪
ক্যাবল (ডিশ) / PPV / মোবাইল / ফোন সেক্স => $২.১৯
এক্সোটিক ড্যান্স ক্লাব => $২.০০
চটি সাহিত্য =>$১.৭৩
ম্যাগাজিন => $০.৯৫
# ৮৯% পর্ণ যুক্তরাষ্ট্রে নির্মিত হয়।
# প্রতি সেকেণ্ডে ৮৯ ডলার ব্যয় করা হয়ে পর্ণে।
# পর্ণো দর্শকদের ৭২% ই পুরুষ।
# প্রতিদিন গড়ে ২৬০ টি নতুন পর্ণো-সাইট তৈরী হয়
# যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি ৩৯ মিনিটে একটি পর্ণো-ভিডিও তৈরী হয়।
# ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিনের ২৫% সার্চ রিকোয়েস্ট-ই হলো পর্ণো-কেন্দ্রিক
# সবচেয়ে বেশী সার্চ রিকোয়েস্ট sex, এরপরে mp3 এবং তারপরে hotmail
# ইন্টারনেটের যাবতীয় সাইটের ১২% ই হলো পর্ণোগ্রাফিক।
# অবৈধ চাইল্ড পর্ণো সমৃদ্ধ সাইটের সংখ্যা প্রায় ১ লক্ষ
# চাইল্ড/টিন পর্ণো থেকে বছরে ৩ বিলিয়ন ডলার আয় হয়
# প্রথম ইন্টারনেট পর্ণোর সাথে পরিচিত হওয়ার গড় বয়স ১১ বছর।
# ইন্টারনেটে পর্ণোর সর্বাধিক ভোক্তা ১২-১৭ বছর বয়সী গ্রুপ
# সর্বাধিক পর্ণো সার্চ রিকোয়েস্টগুলো হচ্ছেঃ sex, adult dating, adult dvd, sex toys, teen sex, porn, xxx,
free porn, anal sex, sex chat, teen porn………
# প্রতি সেকেণ্ডে ২৮,২৫৮ জন ইউজার পর্ণোগ্রাফি দেখে
>>>>>সুত্র- একজন পর্ন সাইটের মালিক/এডমিন কি কোনো মহৎ কাজে আমাদের সঙ্গী হতে পারেন?
Share on Facebook
Permanent link to this article: http://www.wikimega.com/harsh-reality-2/%e0%a6%aa%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a7%8b-%e0%a6%87%e0%a6%a3%e0%a7%8d%e0%a6%a1%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%9f%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b0/